বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২১Dedicate To Right News
Shadow

শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মারক ডাকটিকিট

Spread the love

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী ছিল গতকাল ৫ আগস্ট। ১৯৪৯ সালের এই দিনে তিনি তদানীন্তন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ডাক অধিদপ্তর ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট এবং ১০ টাকা মুল্যমানের উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত করেছে। এই উপলক্ষ্যে ৫ টাকা মূল্যমানে ডাটাকার্ড ও একটি বিশেষ সীলমোহর প্রকাশ করা হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার ৫ আগস্ট তার সরকারি বাসভবন থেকে স্মারক ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত করেন এবং ডাটা কার্ড ও বিশেষ সীলমোহর প্রকাশ করেন। এই উপলক্ষ্যে মন্ত্রী বিবৃতি দিয়েছেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বিবৃতিতে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের বড় ছেলে শেখ কামাল বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী একজন মানুষ। ছাত্রলীগের একজন নিবেদিত, সংগ্রামী ও আদর্শবাদী কর্মী হিসেবে ‘৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন । যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও পুনর্বাসন কর্মসূচির পাশাপাশি সমাজের পশ্চাত্পদ জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নে সমাজ চেতনায় উদ্বুদ্ধকরণে মঞ্চ নাটক আন্দোলনের ক্ষেত্রে শেখ কামাল ছিলেন প্রথম সারির সংগঠক। আমি নিজেও অত্যন্ত সৌভাগ্যবান স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে ৭১‘র উত্তাল দিনগুলিতে আমার লেখা ‘এক নদী রক্ত’ নাটকে শেখ কামালের মত একজন প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব অভিনয় করেছিলেন। সেই নাটকে অভিনয় করতে গিয়ে তিনি আহতও হন। বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোস্তাফা জব্বার ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে খুব কাছে থেকে দেখা শেখ কামালের বর্ণাঢ্য জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শেখ কামাল বন্ধু শিল্পীদের নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ‘স্পন্দন’ শিল্পীগোষ্ঠী। এছাড়া তিনি ছিলেন ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতাও। তিনি সাত রং নাট্যগোষ্ঠরিও সদস্য ছিলেন। তিনি উপমহাদেশের অন্যতম ক্রীড়া সংগঠন ও আধুনিক ফুটবলের প্রবর্তক আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। স্বাধীনতার পর শেখ কামাল সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি নিয়ে পুনরায় লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শাহাদত বরণের সময় তিনি সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের এমএ শেষ পর্বের পরীক্ষার্থী ছিলেন বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *