ই-সিগারেট নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে ইতিবাচক ফল : আইনগত শূন্যতায় বাড়ছে কিশোরদের ব্যবহার
আমদানি আদেশে ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ এ ই-সিগারেট নিষিদ্ধ হওয়ার পর মাত্র ছয় মাসে ই-সিগারেটের বিক্রি কমেছে ১২ শতাংশ এবং ডেডিকেটেড ই-সিগারেট বিক্রয়কেন্দ্র কমেছে ৫ শতাংশ। ই-সিগারেট নিষিদ্ধের পদক্ষেপটি বাজারে ই-সিগারেটের প্রাপ্যতা ও ব্যবহার কমাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছিল। পরবর্তীতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন থেকে ই-সিগারেট-সংক্রান্ত বিধান বাদ দেওয়ায় উৎপাদন, বিক্রয় ও বাজারজাতকরণ নিয়ন্ত্রণে একটি আইনগত শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ই-সিগারেটের বাজার পুনরায় সম্প্রসারণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে এবং কিশোরদের মাঝে এর ব্যবহারের প্রবনতা বেড়েছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত ই-সিগারেট নিষিদ্ধের দাবী জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞবৃন্দ।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) রাজধানীর বনানীর হোটেল ওমনি রেসিডেন্সিতে টোব্যাকো কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ সেল (টিসিআরসি), ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আয়োজিত “বাং...