মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ৭Dedicate To Right News
Shadow

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের ওয়েবিনার: ‘দেশের ৩৬টি মেডিকেল কলেজের মধ্যে ১৬টিতেই মানসিক বিভাগ নেই’

Spread the love

‘অসম বিশ্বে মানসিক স্বাস্থ্য’- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে এ বছর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপিত হচ্ছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় দিবসটির প্রতিপাদ্যের উপর ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় একটি লাইভ ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়েবিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. নাহিদ মাহজাবিন মোর্শেদ, বিভাগীয় প্রধান, মনোরোগবিদ্যা বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক মো. মুজাহেরুল হক, প্রাক্তন উপদেষ্টা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (দক্ষিন পূর্ব এশিয়া) এবং ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মো. আমির হোসেন, ক্লিনিক্যাল সাইকলজিস্ট ও প্রকল্প সমন্বয়কারী, স্বাস্থ্য সেক্টর ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন। অনুষ্ঠানে বক্তারা মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে বাংলাদেশের বর্তমান চিত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

ডা. হেলালউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের দেশে মানসিক স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দশমিক ৫ শতাংশ, দেশের ৩৬টি মেডিকেল কলেজের মধ্যে ১৬টিতেই মানসিক বিভাগ নেই যা থেকে ¯পষ্ট বাংলাদেশ মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা। কিন্তু দিন দিন উন্নতি হচ্ছে।

অধ্যাপক মো. মুজাহেরুল হক রোগীকে সঠিক রেফারেল বাবস্থার উপর গুরুত্ব দেন। তিনি গ্রাম থেকে শহর সব জায়গায় মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব নিয়ে প্রচার প্রচারণার উপর আলোকপাত করেন।

অধ্যাপক ডা. নাহিদ মাহজাবিন মোর্শেদ সামাজিক অপবাদ প্রতিরোধে প্রত্যেকই ভুমিকা রাখতে আহবান জানান। মানসিক রোগকে এখনো সাধারন রোগের মত দেখার মানসিকতা গড়ে ওঠেনি। মানুষ এটি নিয়ে কথা বলতে চায় না, রোগটিকে লুকায় যার ফলে তার ও তার পরিবারে এক সময় ভয়াবহ পরিনাম ভোগ করে। তাই সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

ওয়েবিনারে আলোচকগণ দেশে মানসিক চিকিৎসার ব্যাপ্তি বাড়ানো ও কমিউনিটি পর্যায় এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং মানসিক স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ ও বরাদ্দ বাড়ানো ও মানসম্মত চিকিৎসা প্রদানে প্রশিক্ষণ প্রদান, দক্ষ পেশাজীবী গড়ে তোলা ও গবেষণার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *