
দীপ্ত টিভিতে আসছে নতুন বিশ্বনন্দিত তুর্কি ড্রামা সিরিজ ‘অনন্ত ভালোবাসা’। এ উপলক্ষ্যে ১৩ আগস্ট দীপ্ত টিভির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সিরিজটির আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন। নতুন তুর্কি ড্রামা সিরিজের কণ্ঠাভিনয়শিল্পীগণ । সিরিজটি ১৫ আগস্ট থেকে দেখা যাবে শনি-বৃহস্পতি প্রতিদিন রাত ৮:৩০ মিনিটে শুধুমাত্র দীপ্ত টিভি, দীপ্ত প্লে ও দীপ্ত টিভির ডিজিটাল প্ল্যাাটফর্মে।
অনন্ত ভালোবাসা একটি রোমান্টিক ধারাবাহিক, যার মূল বিষয়বস্তু হলো শ্রেণিগত বৈষম্যের মধ্যে জন্ম নেওয়া এক গভীর কিন্তু করুণ প্রেম।
গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কেমাল সৈদেরে, একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী যুবক এবং নিহান সেজিন, ধনী পরিবারের এক তরুণী। সম্পূর্ণ ভিন্ন সামাজিক অবস্থান থাকা সত্ত্বেও তাদের মধ্যে গভীর প্রেম গড়ে ওঠে। তবে পারিবারিক ও সামাজিক বাধা, বিশেষ করে ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এমির কোজওলুর কারণে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়।
নিহানের প্রতি এমিরের একতরফা আসক্তির কারণে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের, পারিবারিক সংকট এবং ভাইয়ের জীবন বাঁচানোর প্রয়োজনে নিহান বিয়েতে সম্মতি দেয়। অন্যদিকে, হৃদয়ভাঙা কেমাল শহর ছেড়ে চলে যায় এবং কয়েক বছর পর একজন সফল প্রকৌশলী হিসেবে ফিরে আসে। এই সময়ে গল্পে প্রতিশোধ, গোপন সত্য, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং আত্মত্যাগের নানা উপাদান যুক্ত হয়। কেমাল ও এমিরের মধ্যে দ্বন্দ্ব তীব্র আকার ধারণ করে, যেখানে নিহান মাঝখানে পড়ে যায়।
গল্পের অগ্রগতির সাথে সাথে প্রকাশ পায় নানা লুকানো সত্য এবং চরিত্রগুলোর জটিল সম্পর্ক।
চরিত্র ও কণ্ঠাভিনেতার তালিকা: কেমাল সৈদেরে (শফিকুল ইসলাম), নিহান সেযিন (রুবাইয়া মতিন গীতি), এমির কোযওলু (মোর্শেদ সিদ্দিকী মরু), যেইনেপ সৈদেরে (নাদিয়া ইশবাল),আসু আলাজাহান (জয়শ্রী মজুমদার লতা), ওযান সেযিন (খায়রুল আলম হিমু), লেইলা (মেরিনা আক্তার), তারিক সৈদেরে (শাহরিয়ার রানা জুয়েল), ফেহিমে (শারমিন মৃত্তিকা), হুসেইন সৈদেরে (অশোক বসাক), ভিলদান সেযিন (পর্ণা মিটিল্ডা কস্তা), ওনদার সেযিন (সজিব রায়), সালিহ (সাইফুল ইসলাম শিহাব), বানু (মেরিনা আফরোজ শিপু), তুফান (রফিকুল ইসলাম)। কন্ঠাভিনয়ের সার্বিক তত্বাবধানে আছেন জয়শ্রী মজুমদার লতা।
মাহমুদুল হাসান মুরাদের তত্ত্বাবধানে ধারাবাহিকটির অনূদিত সংলাপ রচনা ও সম্পাদনায় কাজ করেছেন দীপ্ত টিভির নিজস্ব সংলাপ রচয়িতার দল। “অনন্ত ভালোবাসা” ধারাবাহিকটির ডাবিং প্রজেক্ট ডিরেক্টর মেরিনা আক্তার মিতু এবং প্রযোজনা করেছেন মাসুদ মিয়া।
