Wednesday, May 20সঠিক সংবাদ প্রকাশে অবিচল
Shadow

বাংলাদেশের টেকসই স্থাপত্য নিয়ে গবেষণা ও বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করছে ব্রিটিশ কাউন্সিল

বাংলাদেশের টেকসই স্থাপত্য নিয়ে ‘সাসটেইনেবল আর্কিটেকচার প্র্যাকটিস’ শীর্ষক একটি গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে যাচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিল ও বেঙ্গল ইনস্টিটিউট ফর আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপস অ্যান্ড সেটেলমেন্টস।

এ উপলক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার, ২১ মে, রাজধানীর ধানমন্ডির ১৬ নম্বর সড়কের ৪২ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত বেঙ্গল শিল্পালয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি শুরু হবে বিকেল পাঁচটায়। স্থপতি, নগর পরিকল্পনাবিদ, নির্মাণ–খাতসংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, গবেষক, নীতিনির্ধারক সহ আগ্রহী সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকছে এ আয়োজন।

প্রতিবেদনটি ব্রিটিশ কাউন্সিলের অর্থায়নে দেশজুড়ে পরিচালিত একটি বিস্তৃত গবেষণা উদ্যোগের চূড়ান্ত ফল। এ গবেষণা উদ্যোগের নেতৃত্ব দিয়েছে বেঙ্গল ইনস্টিটিউট ফর আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপস অ্যান্ড সেটেলমেন্টস। গবেষণায় বাংলাদেশের সরকারি, বেসরকারি ও তৃণমূল পর্যায়ে গড়ে ওঠা টেকসই ও জলবায়ু–সহনশীল স্থাপত্যচর্চার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি এ খাতের বিকাশ এবং যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে কয়েকটি নীতিগত সুপারিশও তুলে ধরা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন বেঙ্গল ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক কাজী খালিদ আশরাফ। এ সময় প্রকল্পের অংশ হিসেবে নির্মিত একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এরপর গবেষণার বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন ড. আতিকুর রহমান, অধ্যাপক রিপিন কালরা এবং স্থপতি খোন্দকার হাসিবুল কবির। আনুষ্ঠানিকভাবে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বক্তব্য দেবেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা।

প্রকাশনাটিতে ২০১৫ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের টেকসই স্থাপত্যচর্চা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এ বিশ্লেষণের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে একটি স্কোপিং রিপোর্ট, উদ্ভাবনী ও টেকসই নকশার কয়েকটি কেস স্টাডি এবং স্থাপত্যে টেকসই উন্নয়ন ও সহনশীলতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশভিত্তিক একটি নীতিপ্রতিবেদন। গবেষণার ফলাফল আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরতে এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানসহ আরও কয়েকটি উন্মুক্ত আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই উদ্যোগ সৃজনশীল অর্থনীতি ও সৃজনশীল শিল্পের বিকাশে সহায়তায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। একই সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশে জলবায়ু–সহনশীলতা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও নীতিনির্ধারকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে।